ডিভি লটারির বৃত্তান্ত


ক্রিস্টোফার কলম্বাস আবিষ্ককার করেছিলেন দেশ। আর আমেরিগো ভেসপুচি দিয়েছিলেন নাম। সেটাই হচ্ছে আজকের স্বপ্নের দেশ আমেরিকা, বাংলায় যুক্তরাষ্ট্র; যেখানে যেতে চান অনেকে। কিন্তু সুযোগের অভাবে তা সম্ভব হয়ে ওঠে না। যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার জন্য মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনান্য বছরের মতো এবারও চালু করেছে ডাইভারসিটি ভিসা লটারি (ডিভি-২০১০)। গত কয়েক বছরের মতো এবারও এই লটারির আবেদনপত্র ইলেকট্রনিক পদ্ধতির। মানে কম্পিউটারে ইন্টারনেটের মাধ্যমে ফর্ম পূরণ করে আবেদন করতে হবে ডিভি লটারির জন্য। সঠিকভাবে পূরণ করা না হলে এ সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে।

নিবন্ধন

২ অক্টোবর থেকে শুরু হয়েছে ডিভি লটারির জন্য নিবন্ধন অর্থাৎ আবেদনপত্র পূরণ করে পাঠানোর পালা। চলতি বছরের ১ ডিসেম্বরের মধ্যে ডিভি-২০১০ ডাইভারসিটি ভিসা লটারির আবেদনপত্র ইলেকট্রনিক্যালি পূরণ করা যাবে। ডাইভারসিটি ভিসার আবেদনের ইলেকট্রনিক ফর্ম এ সময়ের মধ্যে http://www.dvlottery.state.gov ঠিকানার ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। কাগজে হাতে লেখা কোনো আবেদনপত্র গ্রহণ করা হবে না। অভিজ্ঞদের মতে, আবেদন করার জন্য শেষ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা না করাই ভালো। কারণ শেষ সময়ে বেশি চাপের কারণে কম্পিউটার সার্ভার আবেদনপত্র ঠিকমতো গ্রহণ নাও করতে পারে। তবে এবারই প্রথমবারের মতো প্রত্যেক আবেদনকারীরা তাঁদের ডিভি আবেদন গৃহীত হয়েছে কি না তা অনলাইনেই জানতে পারবেন। লাটারি বিজয়ী আবেদনকারিরা চিঠির মাধ্যমে পরবর্তী করণীয় সম্পর্কে সব কিছু জানতে পারবেন।

ডিভি লটারিতে আবেদনের যোগ্যতা

“” আবেদনকারীকে বাংলাদেশের নাগরিক হতে হবে।

“” অবশ্যই উচ্চমাধ্যমিক স্তরের বা এর সমমানের শিক্ষা অর্থাৎ ১২ বছরের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাগত যোগ্যতা থাকতে হবে। শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলে আবেদনকারীর গত পাঁচ বছরের মধ্যে এমন কোনো কাজে দুই বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে, যাতে ন্যুনতম দুই বছরের প্রশিক্ষণ বা অভিজ্ঞতার দরকার হয়।

“” এসব শর্ত পূরণ করতে না পারলে ডিভি কার্যক্রমে আবেদনপত্র পাঠানোর প্রয়োজন নেই।

আবেদনপত্র পাঠানোর পদ্ধতি

“” ২ অক্টোবর, ২০০৮ থেকে নিবন্ধন শুরু হয়েছে। আগামী ৬০ দিন ধরে নিবন্ধন করা যাবে। কোনো আবেদনকারীর কাছ থেকে একাধিক আবেদনপত্র পাওয়া গেলে তার সব আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যাবে, তার পক্ষ হয়ে যে-ই আবেদনপত্র জমা দিক না কেন। আবেদনকারীরা তাদের আবেদনপত্র নিজেরাই প্রস্তুত করে পাঠাতে পারবে অথবা তাদের হয়ে অন্য কেউ তা পাঠাতে পারবে।

“” একটি সম্পুর্ণ ইলেকট্রনিক ডিভি লটারির আবেদনপত্র বা ইডিভিপাওয়ার পরপরই পররাষ্ট্র দপ্তর এর প্রাপ্তি স্বীকার করে আবেদনকারীকে একটি নোটিশ পাঠাবে, যেখানে আবেদনকারীর নাম, জন্নতারিখ, দেশের নাম ও দিন-তারিখের উল্লেখ থাকবে। আবেদনকারী এই প্রাপ্তি স্বীকার প্রিন্ট করে নিজের কাছে সংরক্ষণ করতে পারবেন।

“” কাগজে পাঠানো কোনো আবেদনপত্র গৃহীত হবে না।

“” প্রয়োজনীয় ছবি না থাকলে আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যাবে। আবেদনকারী, তার স্বামী বা স্ত্রী, ২১ বছর বয়সের নিচে নিজের সব ছেলেমেয়ে, দত্তক নেওয়া ছেলেমেয়ে ও সৎ ছেলেমেয়েসহ প্রত্যেক সন্তানের, এমনকি তারা যদি আবেদনকারীর সঙ্গে নাও থাকে, অথবা ডিভি কর্মসুচির আওতায় তাদের যদি অভিবাসন গ্রহণের ইচ্ছা নাও থাকে, তাহলেও তাদের প্রত্যেকের সম্প্রতি তোলা ছবি আবেদনপত্রের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। তবে আবেদনকারীর কোনো সন্তান যদি এরই মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অথবা সেখানকার বৈধ স্থায়ী অধিবাসী হয়, তাহলে তার ছবি সংযুক্ত করতে হবে না।

“” পরিবারের গ্রুপ ছবি গ্রহণযোগ্য হবে না; প্রত্যেকের আলাদা ছবি থাকতে হবে। তাই প্রত্যেক আবেদনকারী, তার স্বামী বা স্ত্রী ও প্রত্যেক সন্তানের ডিজিটাল ফটো, একটি করে কম্পিউটার ফাইল হিসেবে ইডিভিআবেদনপত্রের সঙ্গে অনলাইনে জমা দিতে হবে।

“” ছবি একটি নতুন ডিজিটাল ফটোগ্রাফ হতে পারে বা কোনো ডিজিটাল স্ক্যানার দিয়ে স্ক্যান করাও হতে পারে।

“” জমা দেওয়া ডিজিটাল ছবি যদি নির্দেশাবলি ও নীতিমালা অনুযায়ী না হয়, তাহলে এ নতুন সিস্টেম সরাসরি ইডিভিআবেদনপত্র বাতিল করবে এবং আবেদনপত্র প্রেরণকারীকে জানিয়ে দেবে।

ডিজিটাল ছবি জমা দেওয়ার নিয়ম

“” নতুন ডিজিটাল ফটোগ্রাফ তোলা যাবে।

“” কোনো ডিজিটাল স্ক্যানার দিয়ে ছবি স্ক্যান করেও পাঠানো যাবে।

গঠনগত নিয়মাবলি:

ডিজিটাল ছবি নিচের নিয়মাবলি মেনে পাঠাতে হবে, অন্যথায় আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যাবে।

“” মাথার অবস্থান

ক্যামেরার দিকে সরাসরি মুখ করিয়ে ছবি তুলতে হবে।

ছবি তোলার সময় মাথা ওপরের দিকে তুলে বা নিচের দিকে নামিয়ে বা ডানে-বাঁয়ে কাত করা চলবে না।

মাথা ছবির ৫০ শতাংশ জায়গা জুড়ে থাকতে হবে।

“” পটভুমি বা ব্যাকগ্রাউন্ড

সাদা বা হালকা রঙের পটভুমিতে ছবি তুলতে হবে।

কালো অথবা খুব গাঢ়, বা কোনো নকশা করা বা জাঁকালো পটভুমিতে তোলা ছবি গ্রহণযোগ্য হবে না।

“” ফোকাস

ব্যক্তির মুখ ফোকাসের মধ্যে থাকতে হবে।

“” সাজসজ্জা

গাঢ় রঙের চশমা বা চেহারার মধ্যে অন্য কিছু মনোযোগ আকর্ষণ করে এমন কোনো কিছু পরে তোলা ছবি গ্রহণযোগ্য হবে না।

“” টুপি

ধর্মীয় বিশ্বাসের কারণে মাথা ঢাকা বা হ্যাট পরা ছবি গ্রহণযোগ্য; কিন্তু তা কোনোক্রমেই আবেদনকারীর মুখমন্ডলের কোনো অংশকে আড়াল করলে চলবে না। উপজাতীয় বা ধর্মীয় নয় এমন কোনো টুপি পরা ছবি গ্রহণযোগ্য নয়। সামরিক বাহিনী, বিমান কোম্পানি বা অন্য কোনো প্রকারের হ্যাট পরা ছবি গ্রহণ করা হবে না।

সঠিক ছবি তৈরি

“” ডিভি ২০১০তে শুধু রঙিন ছবি (24 bit color depth) গ্রহণযোগ্য। কোনোভাবেই সাদা-কালো অথবা ধুসর (গ্রেস্কেল) ছবি আবেদনপত্রের সঙ্গে দেওয়া যাবে না। true color অথবা 24 bit color ফর্ম যেসব স্ক্যানারের সেটিংয়ে আছে, সেসব স্ক্যানার দিয়ে ছবি স্ক্যান করা যাবে। স্ক্যান করা ছবির রেজ্যুলেশন হবে ১৫০ ডিপিআই। আর ডিজিটাল ছবিটি অবশ্যই জেপিইজি ফরম্যাটে হতে হবে।

“” ছবির ফাইলের আকার সর্বোচ্চ ২৪০ কিলোবাইট হতে পারবে। আর রেজ্যুলেশন অবশ্যই দৈর্ঘ্যে ৬০০ পিক্সেল এবং প্রস্েথ ৬০০ পিক্সেল হতে হবে। ইমেজ কালার ডেপ্থ 24-bit কালারের হতে হবে।

প্রিন্ট কালার ছবিটি অবশ্যই রঙিন হতে হবে।

জমা দেওয়া ডিজিটাল ছবি যদি ওপরে উল্লিখিত নির্দেশাবলি ও নীতিমালা অনুযায়ী না হয়, তাহলে আবেদনপত্র অযোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। যে কেউ চাইলে ডিভি ফরম পূরণ করার আগে ছবিটি সঠিকভাবে তৈরি করা হয়েছেকিনা তা পরীক্ষা করে দেখতে পারবেন। এ জন্য ওয়েবসাইটের Photo Validator লিঙ্কে যেতে হবে। ওখানে ছবির শুদ্ধতা পরীক্ষার পাশাপাশি ছবি ঠিক করার ব্যাপারে কারিগরি পরামর্শ পাওয়া যাবে।

আবেদনপত্র

ডিভি-২০১০ লটারিতে আবেদনপত্র পাঠানোর একটিই মাত্র পথ আছে। আবেদনকারীদের অবশ্যই ইলেকট্রনিক ডাইভারসিটি ভিসা (ইডিভি) আবেদনপত্র জমা দিতে হবে যা পাওয়া যাবে http://www.dvlottery.state.gov ঠিকানার ওয়েবসাইটে। সব তথ্য সম্পুর্ণ ও সঠিক না হলে আবেদনপত্র বাতিল হয়ে যাবে। আবেদনপত্রে নিম্নলিখিত তথ্য দিতে হবে:

১. পুরো নাম: নামের শেষাংশ বা পারিবারিক নাম, প্রথম অংশ, মাঝের অংশ

২. জন্নতারিখ: দিন, মাস, বছর

৩. লিঙ্গ: পুরুষ অথবা নারী

৪. জন্নস্থান: কোন শহরে জন্ন হয়েছে

৫. আবেদনকারী যে দেশে জন্নগ্রহণ করেছে

৬. যে যোগ্য ভৌগোলিক অঞ্চলের দেশের বাসিন্দা তার নাম।

৭. আবেদনকারীর ছবি

৮. পূর্ণ ঠিকানা: ঠিকানা, শহর, জেলা/দেশ/প্রদেশ/রাষ্ট্র, পোস্টাল কোড/জিপ কোড, দেশ।

৯. যে দেশে এখন বসবাস করছেন তার নাম।

১০. ফোন নম্বর: ঐচ্ছিক

১১. ই-মেইল অ্যাড্রেস: ঐচ্ছিক

১২. সর্বোচ্চ শিক্ষাগত যোগ্যতা যা আপনি ইতিমধ্যে অর্জন করেছেন তা কোনটি?

শুধু পাথমিক শিক্ষা

উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা, কিন্তু ডিগ্রি নেই

উচ্চমাধ্যমিক ডিগ্রি

কারিগরি শিক্ষা

বিশ্ববিদ্যালয়ের কিছু কোর্স করেছেন

বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি

স্মাতক পর্যায়ে কিছু কোর্স করেছেন

স্তাতকোত্তর ডিগ্রি

ডক্টরেট পর্যায়ে কিছু কোর্স করেছেন

ডক্টরেট ডিগ্রি

১৩.বৈবাহিক অবস্থা: বিবাহিত, অবিবাহিত, তালাকপ্রাপ্ত, বিধবা/বিপত্নীক, বৈধভাবে বিচ্ছেদ।

১৪.সন্তানের সংখ্যা: আবেদনকারীর অবিবাহিত ও ২১ বছরের কম বয়সী সন্তান, আইনগতভাবে বৈধ দত্তক সন্তান, সৎ ছেলেমেয়ে যারা অবিবাহিত ও যাদের বয়স ২১ বছরের কম, যদিও আবেদনকারী সন্তানের মা-বাবার সঙ্গে আর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ নন, এমনকি ওই স্বামী বা স্ত্রী বা সন্তান বর্তমানে আপনার সঙ্গে থাকে না বা আপনার সঙ্গে অভিবাসী হবে না, তবু আবেদনকারীকে তাদের নাম, জন্নতারিখ ও জন্নস্থান আবেদনপত্রে উল্লেখ করতে হবে। এ আবেদনপত্রে কেবল সেসব সন্তানের ছবি দিতে হবে না যারা ইতিমধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক অথবা সেখানকার বৈধ স্থায়ী অধিবাসী। উল্লেখ্য, বিবাহিত সন্তান বা ২১ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সী সন্তান ডাইভারসিটি ভিসা পাওয়ার যোগ্য নয়। তবে সব ছেলেমেয়েকে তালিকাভুক্ত করা না হলে ভিসার জন্য আবেদনকারী অযোগ্য বিবেচিত হবেন।

১৫. স্বামী বা স্ত্রীসংক্রান্ত তথ্য: নাম, জন্নতারিখ, লিঙ্গ, জন্েনর শহর, জন্েনর দেশ, ছবি । স্বামী বা স্ত্রীসংক্রান্ত তথ্য উল্লেখ না করলে ভিসার জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন।

১৬. সন্তানসংক্রান্ত তথ্য: নাম, জন্েনর তারিখ, লিঙ্গ, জন্েনর দেশ, জন্েনর শহর, ছবি।

আবেদনপত্র বাছাই

সব যোগ্য আবেদনপত্রের মধ্য থেকে কম্পিউটারের মাধ্যমে নির্বিচারে আবেদনকারী বাছাই করা হবে। এতে যারা নির্বাচিত হবে তাদের ২০০৯ সালের মে থেকে জুলাই মাসের মধ্যে জানিয়ে দেওয়া হবে এবং যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন গ্রহণের ফি সম্পর্কিত তথ্যাদিসহ পরবর্তী নির্দেশ পাঠানো হবে। বাছবিচার ছাড়া নির্বাচিত আবেদনকারীদের ই-মেইলের মাধ্যমে কোনো নোটিশ দেওয়া হয় না। যেসব আবেদনকারী নির্বাচিত হবে না তাদের কিছু জানানো হবে না। সফল আবেদনকারীদের স্বামী বা স্ত্রী এবং অবিবাহিত ও ২১ বছরের কম বয়সের সন্তানেরাও প্রধান আবেদনকারীর সঙ্গে অভিবাসন গ্রহণের জন্য অথবা পরে তার সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য ভিসার আবেদন করতে পারবেন। একটি ভিসা লাভের জন্য নির্বিচারে বাছাইয়ের মাধ্যমে নির্বাচিত আবেদনকারীদের যুক্তরাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী ও চাহিদামাফিক সব শর্ত পূরণ করতে হবে। সফল আবেদনকারী ও তাদের পরিবারের যোগ্য সদস্যদের ডাইভারসিটি ভিসা অবশ্যই ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যরাতের আগেই ইস্যু করতে হবে। কোনো পরিস্িথতিতেই এ তারিখের পর কোনো ডাইভারসিটি ভিসা ইস্যু বা কোনো প্রকার সমন্বয় করা যাবে না বা মূল আবেদনকারীর সঙ্গে যোগ দেওয়ার জন্য তার পরিবারের কোনো সদস্যকেও এ তারিখের পর ভিসা দেওয়া হবে না। ডিভি লটারি পাওয়া মানেই যুক্তরাষ্ট্রের ভিসাপ্রাপ্তি নয়। এ লটারিতে বিজয়ী হলে ভিসা পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। অভিবাসনের সব নিয়মনীতি, শর্ত পূরণ করলে তবেই ভিসা পাওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য

ডিভি কর্মসুচিতে অংশ নিতে কোনো ফি দিতে হয় না। ডিভি প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য যুক্তরাষ্ট্র সরকার বাইরের কোনো উপদেষ্টা বা বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে (সার্ভিস) নিযুক্ত করেনি। আবেদনকারীদের ডিভির আনুষঙ্গিক বিষয়াদি প্রস্তুত করার জন্য যদি কোনো মধ্যস্থতাকারী বা অন্য কেউ সহায়তা করার প্রস্তাব দেয়, তাহলে তা হবে যুক্তরাষ্ট্র সরকারের কর্তৃত্ব বা সম্মতি ছাড়া। ডিভি কর্মসুচির আবেদনপত্র তৈরির ব্যাপারে কোনো মধ্যস্থতাকারী বা অন্য কারও সহায়তা নেওয়ার বিষয়টি পুরোপুরি নির্ভর করে আবেদনকারীর ইচ্ছার ওপর।

একজন আবেদনকারীর কাছ থেকে ইলেকট্রনিক মাধ্যমে সরাসরি প্রাপ্ত যোগ্যতার শর্ত পূরণকারী একটি আবেদনপত্রের কেন্টাকি কনস্যুলার সেন্টারে কম্পিউটার কর্তৃক নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা একজন আবেদনকারীর পক্ষ থেকে অর্থের বিনিময়ে অন্য কারও প্রস্তুত করা ইলেকট্রনিক মাধ্যমে পাঠানো আবেদনপত্রের সম্ভাবনা সমান। ডিভি লটারি নিবন্ধনের নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে প্রেরিত প্রতিটি আবেদনপত্রেরই তার অঞ্চলের মধ্যে নির্বাচিত হওয়ার সমান সম্ভাবনা রয়েছে। মূল বিষয় হচ্ছে কোনো আবেদনকারীর পক্ষে একাধিক আবেদনপত্র পাওয়া গেলে, তা যে উৎস থেকেই প্রেরিত হোক না কেন, আবেদনকারী লটারিতে তালিকাভুক্তির জন্য অযোগ্য বিবেচিত হবেন।

তথ্যসূত্র: দৈনিক প্রথম আলো

কৃতজ্ঞতা: মুর্দেশের ইউনিকোড পরিবর্তক

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s

%d bloggers like this: