আল-হামদুলিল্লাহ গত ৮ ই মে ২০১৪ ইং  বেলা ১২.৩০ মিনিট দুপুরে তে আমি বাবা হয়েছি।

masroor1

 

নিচের ছবিটি তিন মাস পূর্ণ হওয়ার পরে উঠানো।

 

masroor

 

Posted in ইত্যাদি. ট্যাগ সমুহঃ , , , . 2 Comments »

এন্ড্রয়েড এ্যপস যা আমি ব্যবহার করছি

আমার ব্যবহৃত ফোনে যে এ্যপসগুলো ইন্সটল করা আছে তার কিছু নিচে শেয়ার করলাম।


Taskiller:রানিং এ্যপস গুলো একসাথে ব়্যাম হতে সরিয়া নেওয়ার  জন্য।
adfree: রুট করা থাকতে হবে । এর কাজটা কি মনে হয় নাম পড়েই বুঝতে পেরেছেন। এ্যপস সাথে প্রর্দশিত এ্যাড কে বাদ দেওয়ার জন্য।
advance task killer: ব্যাকএন্ডে চলা সকল সার্ভিস এ্যপস গুলো কে বন্ধ রাখতে অত্যান্ত কার্যকর।
aljazeera live: জনপ্রিয় আল জাজিরা টিভির এরাবিক এবং ইংরেজী লাইভ কাস্ট দেখার জন্য এটি।
AVG antivirus: কিচ্ছু বলার নাই , বুঝে নেন।
barcade scanner:  বারকোড স্ক্যান করার জন্য। এটি QR বার কোড ও সাপোর্ট করে এবং সেই সাথে উক্ত কোডের পন্য টি অনলাইনে খুজে বের করার কাজটিও করে দিতে পারে।
camcard: ভিজিটিং কার্ড হতে স্ক্যান করে মোবাইলের এড্রেসবুকে যুক্ত করা জন্য। প্রথম ১০ টি কার্ড ফ্রী এবং এর পর প্রতি সপ্তাহে ২টি করে স্ক্যান করার সুযোগ দেয়। রেগুলার সাভির্স এর জন্য ক্রয় করে নিতে হবে।
Bluetooth file transfer: ব্যবহার করেই দেখুন , মনে হবে যেন windows এর explorer ব্যবরহার করে ফাইল কপি করছেন।
XE currency: বর্তমান বিশ্বের মুদ্রার মূল্য দেখতে ব্যবহার করুন। দেশ সিলেক্ট করে কেবল একাট ঝাকি মারলেই রেজাল্ট সামনে চলে আসে।
documents to go: অফিস ফাইল গুলো রিড করার জন্য ।
emulator ROMS: মার্কেট পাবেন কি না জানি না। আমি এটি কালেকশন করে ছিলাম চাইনিজ একটা সাইট হতে।
আর্কেড প্রিয় সকলেরই এটা পছন্দ না হয়ে পারে না। আটারি হতে সনি পিস এস টু এর রম পর্যন্ত সাপোর্ট করে । আর রম গুলোর সরাসরি ডাউনলোডের ব্যবস্থা আছে। কনট্রা, মারিও , আউটরান, রাইয়ান, পানিস্বর, স্ট্রীট ফাইটার সহ হাজার খানেক গেইম এর গোডাউন বলা যেতে পারে।
file expert :  রম এবং মেমরীকার্ড explorer করা জন্য। কাজের জিনিস হল এটা নেটওয়ার্ক ভুক্ত কম্পিউটারের শেয়ার করা ড্রাইব বা ফোল্ডার ও  explorer করা যায়।
ginger break: আপনার ফোনটা কে রুট করার জন্য। আমার ও এস ভার্সণ হল ২.২ তে কাজ করে ।
kayak: অনলাইনে এয়ার, হোটেল , কার ইত্যাদি বুকিং করার জন্য।
Linux commands : নিনাক্স এর বিশাল কমান্ড লিস্ট মনে থাকে না। ব্যভহার করুন এটি।
locus free: অফলাইনে ম্যাপ ডাউন লোড করার সুবিধা সম্বলিত চমৎকার একটি জি পি এস নেভিগেটর এ্যপস। road tracker অপশন থাকায় আপনি রোড রেকর্ড করে রাখতে পারেন । তাছাড় রয়েছে স্পীড মনিটরিং। ফ্রীতে এরচাইতে আর বেশী কি আশা করা যায়।
yahoo messenger: নতুন করে কিচ্ছু বলার নাই। তবে ভয়েস এবং webcam ফ্যাসিলিটির জন্য এর প্লাসইনটি আলেদা করে ডাউনলোড করে নিতে হবে। একই কথা ইয়াহু মেইল সার্ভিসের বেলায়ও।
prayer time pro: হিজরী ক্যালেন্ডারসহ নামাজের টাইম জেনে নেওয়ার কার্যকর একটা এ্যপস। সাথে রয়েছে কেবলা ক্যাম্পাস অপশন এবং ইসলামিক বিশেষ দিনগুলোর তালিকা।
realplayer: নতুন করে বলার কিছু নাই।
rom manager: আপনার বর্তমান ও এস এর ব্যাকআপ এবং রিস্টোর করতে কিংবা মেমরী কার্ড হতে ভিন্ন ভার্সনের ও এস লোড করে এটা ব্যবহার করতে পারেন। তবে রুট করা থাকতে হবে।
আমি নিজে এটা ব্যবহার করতে যেয়ে বেশ কিছু সমস্যার সম্মূখীন হয়েছি, তাই যা করার নিজ দায়িত্বে করুন। আমার দোষ দিতে পারবেন, আমি নিরীহ টাইপের মানুষ।
screenshot: আপনার ফোনের স্ক্রীণ হতে সট নিয়ে ইমেজ ফাইল আকারে সেইভ করার জন্য। রুট করা থাকতে হবে।
skype: ক্লীয়ার ভযেস কোয়ালিটিসহ চ্যাট করার অন্যতম এ্যপস। এর বেশী কিছু বলার প্রয়োজন মনে করলাম না।
I Quran: ইন্সটল করে সূরা গুলোর অডিও ফাইলগুলোও প্রতিদিন অল্প অল্প করে ডাইন লোড করে নিন। একসাথে সব করতে দিবে না। তবে ৫ বা ৬ দিনের ভিতরে আপনি সবগুলো ডাউনলোড করে নিতে পারবেন। অডিও ফাইল সহ প্রায় ৫০০ এম বি স্পেস নিতে পারে। কুরআনের বিশুদ্ধ উচ্চারণ জেনে নিতে এটি একটি অদ্বিতীয় এ্যপস।
smartFlash: আপনার সেট এ ফ্ল্যাশ প্লেয়ার সাপোর্ট করে না, এটি সেটআপ করনে নিন। ব্রাউজারের কোন পেজেই ফ্ল্যাশ কনটেন ( ভিডিও অনলি) থাকলেই হল আপনার ডিফল্ট ইউটিইব এ্যপস দিয়ে সেটি চালু হয়ে যাবে।
sms backup & restore: বুঝতেই পারছেন এটা দিয়া করা করা যাবে। চাইলে ব্যাকআপ করে মেইলেও সেন্ড করে নিতে পারবেন।
spb tv: সারা বিশ্বের শ খানেক লাইভ টিভির দেখার জন্য।
Tape-a-talk:  সিডি কোয়ালিটি সাউন্ড রেকডিং করার জন্য।
titanium backup: রম বা মেমরী কার্ড হতে ইন্সটল করা এ্যপস এর ব্যবআপ বা আনইন্সটল করার জন্য। রুট করা থাকতে হবে।
tubemate: তুমিচোঙ্গা ( youtube) হতে দ্রুত ডাউনলোড করার সবচাইতে কার্যকর একখান এ্যপস। তবে আমার নতুন রাউটারের( linksys E3000) দিয়ে ডাউনলোড হয় , যার ফলে আমাকে শুধু ডাউনলোড করার জন্য আরেকটি রাউটার ( Aztech HW550-3G) বসাতে হয়েছে।

চোট্ট মা


গত ১৭ই জুলাই ২০১১ সালের সকালটা মনে হয় একটু বেশী আলোকময় ছিল। বাতাসে এক মধুর সুর বাজছিল। মনে এক অজানা  আনন্দে ভরপুর ছিল।

ছোট ভাই ফোন করলো , আমাদের ঘর ( রায়হান ভাইয়ের প্রথম সন্তান) আলো করে এক স্বর্গের পরি এসেছে।

সবাই কাছে আমার এই ছোট্ট মা এর  জন্য দুআ চাই।

আজ (৩১-১২-২০১১)কিছু  ছবি পেলামঃ




পাথরের উপর লিখন

কিছুদিন আগে আলাইন এর সবচেয়ে উচু পাহাড় 

খেমা

সংযুক্ত আরব আমিরাতে রমজানে দেখা যায় এলাকায়, এলাকায় বিশাল বিশাল খেমা। পাঠক ভাবছেন খেমা কি? খেমা হল ইফতারের জন্য তৈরি এক ধরনের বিশাল তাবু। যেখানে রোজাদারকে পেট ভরে ইফতার করা হয়। এই ধরেনর খেমা আমি কাতরের থাকাকালীন সময়েও দেখে ছিলাম। প্রতিদিন আনুমানিক প্রায় লক্ষ মানুষ বিভিন্ন খেমাতে ইফতার করে । কি থাকে এই ইফতারের আয়োজনে? মিনিরেল ওয়াটার, জুস, খাসীর বিরিয়ানি বা মুরগির বিরিয়ানি, লেবন,খেজুর, কোথাও কোথাও হারিছ ইত্যাদি। কেউ কেউ আবার ইফতাররি বেছে যাওয়া ( অতিরিক্ত ইনটেক) খাবার গুলো ঘরে নিয়ে আসে। অনেকেই পুরা প্লেট খেতে না পেরে সেখানেই ফেলে আসে। আবার অনেকে শুধু মাংসটা খেয়ে বাকি চাউলগুলো ফেলে আসে। এক হিসাব মতে শুধু এই আবু ঢাবীতে প্রতি রমজানে এই ইফতারের খাদ্য অবচয় হয় ৫০০ টন। (সূত্রঃ গালফ নিউজ)।
Read the rest of this entry »

শেখ জায়েদ মসজিদ

 

কিছু দিন আগে আমি ও আমার দুজন বন্ধু মিলে জুম্মার নামাজ আদায় করতে গিয়েছিলাম , এদেশের সর্ববৃহ

মসজিদে। এই মসজিদে এতো বিশাল এবং এর সুউচ্চ যে মিনার এবং গুম্বজগুলো অনেক দূর হতে দেখা যায়। আমার কর্মস্থল আইকাড হতে প্রায় সময়ই আমাদের শোরুম এ কোন কাজে গেলেই এই মসজিদের দেখা পেতাম এবং মনে মনে এই মসজিদে প্রবেশ করার ইচ্ছা পোষন করতাম। আল্লাহ কাছে শুকরিয়া তিনি আমার এই ইচ্ছা পূর্ন করেছেন। Read the rest of this entry »

আযমান হতে শিলা

আরব আমিরাতে এসেছি বেশ কিছুদিন গত হলো। এ কদিন কাজ বলতে খাওয়া-দাওয়া আর এই ফাকে কাজ কর্ম কিছু একটা ঝুটিয়ে নেওয়া। কিন্তু এ দেশ এমন এক জায়গা যেখানে সহজেই ছুকরী পাওয়া যায়, কিন্তু নুকরী পাওয়া যায় না।

আমি থাকি আজমানে, আর আমার মামা ( জে জে এর মামা না) থাকে শিলাতে। আমিরাতে এক প্রান্ত হতে অন্য প্রান্তে। ২৪ তারিখ, শনিবার সকাল ৭ টায় ঘুম থেকে উঠে (এই কদিন ধরে সকাল ১২ টায় উঠতাম, তাই সকাল ৭ টাই উঠতে বেশ বেগ পেতে হলো। ) ট্যাক্সি ধরলাম, উদ্দেশ্য শারজা এসে বাস ধরবো। ১৫ মিনিটে এসে গেলাম। এসে দেখি আবু ঢাবির বাস ছাড়বে ৮.১৫তে। কি আর করা অপেক্ষা করতে থাকলাম। প্রায় ১৫০ কি.মি. পাড়ি দিয়ে সাড়ে ১০ টাই এসে পৌছে গেলাম। বাস কাউন্টারে এসে জানতে পারলাম শিলার উদ্দেশ্যে বাস ছাড়বে বেলা ১.৩০ এ। এই তিন ঘন্টা কি কবরো তাই ভাবছিলাম, আতকা ( হঠাৎ) মনে পড়লো আরে , আমাগো কে বি মামা তো আবু ঢাবিতে থাকে, দিলাম কেবি মামারে ফোন, কেবি মামা কইলো , মাইক্রো আমার বাসায় আসতে মাত্র ১০ মিনিট লাগবে, একটা ট্যাক্সিতে উঠে চলে এলাম। দেখি মামায় নিচে অপেক্ষা করছে। আমি আসার সাথে সাথেই কেবি মামা, গামা মামারে ফোন দিল, গামা মামা ৩০ মিনিটে পৌছে যাবে জানতে পারলাম। এর মধ্যে পি জে মামারে ফেন করা হলো। মামায় কয়, মাইক্রো তুমি আমার কাছে থাকো অথচ আমার লগে দেখা না কইরা, এতো দূরের পথ আবু ঢাবিতে ওগো লগে দেখা করতে চলে আইলা। মনে পড়লো, মক্কার মানুষ হজ্ব পাইনা, তারে ক্যামনে কই আমিতো আসলে শিলা যাওয়া জন্য রওনা হইছি। এরপর কেবি মামার রুমে প্রবেশ করলাম। ওরি বাবা এ দেখি বাঙ্গালী শেখের বাসা। কি আলিশান বাসারে বাবা। মনে মনে একটু খুশি হলাম, যাক কালো বাঘের গুহাটায় একটা রাজকীয় ভাব আছে। এর মধ্যে কথায় কথায় জানতে পারলাম, কেবির আপা কদিন আগে তুরস্ক হতে ঘুরে এসেছে। একটু পর কেবি তুরস্ক হতে আগত মিষ্টি এনে দিল। প্লেট রাখার সাথে সাথে্ কলিং বেল বেজে উঠলো , মিষ্টির গন্ধে মাছির আগমন ( গামা সাইফ মামার আগমন। ) । গামা মামর শরীরের সাইজ দেইখ্যা আমি বেশ ভয়ে ভয়ে কোলাকুলি করলাম। গামা মামা আসার পর আর বাসায় বসলাম না। তিন জনে মিলে বাইরে চলে এলাম। গামায় কইলো চলো মামা আগে পেট পুজা করে আসি। এতক্ষনে বুঝলাম সাইফ মামা, হাউ টু হইল গামা। গামার যেন খাওয়ার জন্য বাইচা আছে। তারে দেইখা মনে হইলো , খাওয়ার জন্য হে মানব তুমি চীন দেখে যাও । এর মধ্যে কেবি এর গামার মধ্যে খুনসুটি লেগে আছে। আমি নতুন অবস্থায় তাদের এই খুনসুটি বেশ উপভোগ করছিলাম।

একখানা পাকিস্থানী রেস্টুরেন্ট এ সবাই প্রবেশ করলাম। ঘড়িতে দেখলাম ১ টা প্রায় বাজে। সাইফে একের পর এক খানা অর্ডার করতে লাগলো, আর ওয়েটার বেচারা বলতে লাগলো ৩০ মিনিট লাগবে এগুলো সার্ভ করতে। আমি তাগাদা দিয়ে সাইফ মামারে কইলাম , এখন যা রেডি আছে , তাই যেন অর্ডার কারা হই। সাইফ মামা একুট মোচড় দিয়া উঠলো, আমি কইলাম মামা এই দেশে যখন আইছি , তখন আবার দেখা হবে, এখন খানার তালে যদি বাস মিস করি তাইলে মামার বাংলা শুনতে হবে। খাওয়া – দাওয়া শেষ করেই বাসের ধরতে ছুটলাম, এর মধ্যে কেবি বার বার বলতে লাগলো আজে বিকালটা আমাদের সাখে কাটিয়ে তারপর যাওয়ার জন্য , আমি বললাম এখন বাস না ধরতে পারলে , যেতে রাত ১১ টা বেজে যাবে। আমি যেতে চাইলে কি হবে , উপরওয়ালা মনে হয় কেবি আর গামার ডাক আগেই কুবল করে রেখেছিল। গিয়ে দেখি বাস টাইমলিং ছেড়ে দিয়েছে, আর আমরা যেতে টাইমের চাইতে ১০ মিনিট ওভার করে ফেলেছি। কেবি আর গামা তো মহাখুশি। ফোন করে মামাকে জানালাম মামা ট্যাক্সিতে জ্যামে আটকে গিয়েছিলাম তাই বাস মিস করেছি। মামা কিছুটা রাগ হলো, বললো জেন ৪.৩০ এর বাসে চলে আসি।

এবার গামার কারে করে যাত্রা শুরু করলাম আবু ঢাবি বিচ এ। বিচ এ কিছুক্ষন বসে কারের দিকে ফিরে আসছি , এমন সময় বিচপার্কে একখান আইটেম তার সিসটেম এর সাথে বসে গল্প করছে, গামা মামার চোখ গিযে পড়লো তাদের উপর, ,মামায় কই মাইক্রো আসো একটু কাছে গিয়ে সাইজ দেইখ্যা আসি, কাছে যেতেই কুমার বিশ্বজিৎ এর গানের একটা লাইন মনে পড়ে গেল, “দূর থেকে সুন্দর কাছে গেলে দেখি তাতে প্রাণ নেই। ”

কারে বসে কেবিরে ডেইট ওভার দুধের গল্প বললাম। গল্পটা ছিল এইরকম, এক লোক একজন বয়স্ক মহিলারে বিয়ে করেছিল, বিয়ের পরদিনই সে মারা গেল।এর পরদিন ময়নাতদন্ত করে জানা গেল ঐ ব্যাক্তি মেয়াদউর্ত্তীন দুধ পান করার ফলে বিষক্রিয়ায় তার মৃত্যু হয়েছে।

এবার চললাম , বিচ সংলগ্ন মেরিনা মলে। বেশ কিছুক্ষন ঘুরাঘরি করে কফি শপে বসলাম। কেবি কফি নিয়ে এলো । ২০ দেহরামের একটা করে কফি, খাওয়ার সময়ই টের পেলাম যে কড়া আজ রাতে ঘুমের ১২টা বাজবে।

এর পর আবার বাস ধরতে রওনা হলাম এবং যথারীতি এবার ও বাস মিস করলাম। কাউন্টারে এসে জানতে পারলাম শিলাতে যাওয়ার সর্বশেষ বাস আছে বিকাল ৫. ৩০ এর। আর রিস্ক নিতে মন চাইলো না। গামা আর কেবি হতে বিদায় অপেক্ষা করতে থাকলাম।

কেবি আর গামায় আন্তরিকতায় আমি মুগ্ধ হলাম। ধন্যবাদ জে জে। জে জে কারনেই আজ তাদের সাথে পরিচিত হয়েছি, না হলে আবু ঢাবিতে বোকার মতো বসে থাকা ছাড়া আর কোন কাজ ছিল না। গামা আর কেবি রে ধন্যবাদ দিয়ে বন্ধুত্বের সর্ম্পকটাকে ছোট করতে চাই না।

সাড়ে পাচটায় সাব এলো রহিসে যাবে। শিলায় যাবে না। রহিস হতে শিলার দূরত্ব ১৩০ কিমি। বেশ চিন্তায় পড়ে গেলাম। এর মধ্যে আমার পাশে বসে থাকে ছেলেটিকে জানতে চাইলে সে বললো, আমি বাংলাদেশী আপনি যদি চান আমার সাথে রহিসে গিয়ে রাতটা কাটিয়ে পরদিন সকালে শিলায় চলে যেত পারবেন। মনে একটু সাহস এলো। দেশের মানুষের প্রতি আরো একবার শ্রদ্ধায় মাতা নত করতে মন চাইলো। আমি তাকে বা সে আমাকে চিনে না, অচথ কত অবলীলায়, নিঃসংকোচে আমাকে আশ্রয় দিতে চাইলো।

এর পাচ মিনিট পরেই কাহিনী পাল্টে গেল , কাউন্টার হতে সুপারভাইজার এসে ঘোষনা করলো এই বাস শিলায় যাবে, রহিস যাওয়ার জন্য ভিন্ন আরেকটি বাস, এর ১৫ মিনিট পরে ছাড়বে। ঐ বাঙ্গালী বুন্ধটি বিদায় জানালাম। বাস চাড়লো। বাসে বসে একটা বিষয় নিয়ে মনে বেশ খটকা লাগলো। আমি শারজা থেকে ১৫০ কিমি এসেছি ভাড়া দিয়েছি ৩০ দেহরাম , কিন্তু আবু ঢাবি হতে শিলার দূরত্ব প্রায় ৪০০ কিমি এর কাছিকাছি, ভাড়া চাইলো ১৫ দেহরাম। হিসাব মিলাতে পারলাম না। কি জানি হয়তো সব হিসাব মিলে না বা মিলাতে নেই।

%d bloggers like this: