খুজি তারে

খুজি তারে, দিবা নিশি
পাইনা খুজে, কোথায় থাকে
মনের মাঝে, নাকি দূর পাহাড়ে
দেওনা খুজে,সবাই মিলে
একলা থাকি, এই বিহনে
মন সাগরে, বেয়ে চলি
খুজে বেড়ায়, ঘাটে ঘাটে
পাইনা দেখা, তবু খুজি

বিবস্ত্র সভ্যতা

সভ্যতার কাফনে অসভ্যতাকে করি আড়াল

বর্বরতার কালিমায় কলঙ্ককিত করি পুরা জাতিকে

কি আজব প্রহসনের এক চরন গায় দিবানিশি

সারে জাহা-সে আইচ্ছা হিন্দুস্থান হামারা

সভ্যতাকে বলৎকারে পাই বর্বরাচিত পৈচাসিক সুখ

প্রফুল্ল চিত্তের রেখা ফুঠে উঠে কিছু জানোয়ারের মুখে

দারিদ্রতার কষাগাতে, বিশ্বাস করো শুধু দারিদ্রতার কষাগাতে

সর্বগ্রাসী ক্ষুদা আমার শুনে না ন্যায়-অন্যায় বাণী

অভাব নামক জন্তুটাকে তাড়াতে গিয়ে বন্ধি আমি

সভ্যতার মুখোশ ঢাকা কতিপয় বর্বর জন্তুর জালে

বর্বর মধ্যযুগ খুজে পাই আমি এই সভ্যযুগে

সারা বিশ্বকে জানিয়ে দিলে আমায় বিবস্ত্র করে

এখনো তাজা ফেলানীর টকটকে লাল রক্ত মাখা জমিন

তোর চোখে কি পড়ে তা, তরতাজা ফেলানি বুলেট বিব্ধ ঘাঁ?

জানিস না ওরা আমাদের দাদা রাখি তাই সদাই তুষ্ট

চোরের দল, অন্যায়ের বিচারে তুই হস কেন রুষ্ট!


মেয়েটি

আচ্ছা মেয়েটা যাওয়ার সময় পিছনে ফিরে তাকায় না কেন?
তাহলে কি …. দূর আমি এই সব কি চিন্তা করছি।
ইদানিং আমার মাথা পজেটিভ কোন চিন্তাই আসে না যা আসে তা খালি নেগেটিভ। অব্যশই সব পজেটিভ কিন্তু ভাল না। কিছু কিছু ক্ষেত্রে নেভেটিভ ই ভাল। এই তো সেদিন পাশের বাড়ীর একজনের শরীর খারাপ করলো, বেশকিছু হাই-লেভেলের কিছু টেস্ট করে ধরা পড়লে এইচ আই …. পজেটিভ। কোথায় সবার খুশি হওয়ার কথা , তা না উল্টা সবাই চিন্তাই ভেঙ্গে পড়লো। সেদিন হতে আমার মনে দৃঢ়ভাবে গেথে গেল রেজাল্ট পজেটিভ না হয়ে নেগেটিভ হলেই ভাল হয়।
বাপ্পী হঠাৎ করে কইলো দোস্ত তোরে মনে হয় ঐ মাইয়্যার চাইতে তার বান্ধবীটা বেশী লাইক করে।
ক্যামনে বুঝলি… Read the rest of this entry »

ঢোল, দু প্রান্তে মারি বারি

সে অনেক দিন আগের কখা। ফটিক চন্দ্র ( ছ্দ্ম নাম) আর্ট কলেজ এ পড়ছে, বিভিন্ন অনুষ্ঠানে আলপনা করে দেওয়ার জন্য তার ছিল বিশাল খ্যাতি। বিজয় দিবস উপলক্ষে নেতাজী আগের রাতে ( ছদ্মনাম, তখনও আমার এই বন্ধু রাজনৈতিক অঙ্গনে এতটা পরিচিত হয়ে ইঠে নাই) ডাক দিল ফটিক কে । Read the rest of this entry »

মানুষ গড়ার কারিগর

             সবেমাত্র ৪র্থ শ্রেনীর বার্ষিক ফলাফল ঘোষনা হলো, আমি এইবার ২য় স্থান এবং খেলায় ১ম স্থান অধিকার করাতে প্রফূল্ল চিত্তে বাবার কাছে এসে হাজির হলাম। ভাবলাম বাবা নিশ্চয় বেশ খুশি হবে তার গুনধর ছেলে এই মহা সাফল্যে। কিন্তু বিধি মনে হয় উপরে বসে মুকচি হাসছিলেন, বাবা আমার কান টা জোরে মলে দিয়ে হংকার ছেড়ে দিয়ে বললেন হারামজাদা পড়ালেখায় ফার্স্ট হতে পারলিনা না। প্রতিটি স্কুলে একটা দুষ্টের দল থাকে, ভাগ্যগুনে এই দলটা আমাদের শ্রেনীতেই ছিল। যার ফলে ৫ম শ্রেনীতে ক্লাস করার ১ মাসের মাথায় প্রধান শিক্ষক এ কে এম ফজলুল হক সাহেব আমাদের শ্রেনী কক্ষ পরিবর্তন করে উনার অফিস কক্ষের নিকটে যে শ্রেনী কক্ষটি রয়েছে , তার পাশে Read the rest of this entry »

একটা ছড়াগুচ্ছ

পাচঁটি তারা
—————
পাচঁটি
তারা ক্ষয় হয়ছে, জয় হয়ছে কার?
তোমরা ছিলে এই ভুবনের আলোকিত
বাহার
মান-অভিমান থাকতে পারে, থাকতে পারে দোষ
একটা কথা মনে রেখে, আমরাতো সব মানুষ।

একটি তারা আলো ছড়ায়, প্রতি কোনায়
কোনায়
সবার প্রিয় ছিল সে যে পূর্ন কানায় কানায়
সবার আগে দিতো জবাব, ছড়াতো সে আলো
হঠৎ
করে নিভেয় দিল, মনটা করে কালো।

অন্যতারা, যায় না ভোলা, দিতো আলোর খোচা
সেই তারার হাতে থেকে ভাই ছিল না করো বাচা
কারো কোন কথায় যদি পেত একটু দোষ
সাথে
ধরিয়ে দিতো যেন হয় তার হুশ।

আশার
তারা ছড়াতো সে রঙ্গীন আশার আলো
বলতো সে যে এসো সবাই আলোর
পথে চলো
কিন্তু হঠাৎ এই তারাটা মিলিয়ে গেল, দূরাকাশে
আমরা তারে এখনো যে খুজে বেড়ায় এই্ আকাশে।

দূর আকাশে উজ্জল তারা, আমরা তাকে বলি
নক্ষত্র
পদ্য আলো ছড়িয়ে দিতো , ছিল তার এক বিশেষ ক্ষেত্র
সেই তারাটার হঠাৎ করে কলো অভিমান
আসবে
ফিরে ,দিবে আলো, ভাঙ্গবে তাহার মান

এই তারাটা ভবের ফকির, থাকতো অনেক দূরে
কি কারনে গেল সে যে আমাদেরকে ছেড়ে
নিজের যত সৃষ্টি ছিল, করলো তাহার বিনাশ
তারা, তুমি হওনি কেন বিশাল হৃদয়ের আকাশ?

আজ আকাশে তারার মেলা, তারায় তারায়
ভরা
এতো তারার মাঝে তবু মনটা আমার তোমাদের জন্য খরা
[ ঈদের দিন নাকি কোন মান অভিমান রাখতে নাই, তাই এটা লিখলাম]

[ প্রজন্ম ফোরামের সেই অভিমানী সদস্যের উদ্দেশ্য এইটা লিখা]
=================================================
কর্মী
——–
মনিব তুমি , আমি ভৃত্য
তোমার কথায় করি
নৃত্য
সকাল থেকে রাতে বেলা
কাজে
নাইকো অবহেলা

কস্ট, দুঃখে হৃদয়
ভরা
হাসি-খুশির আছে খরা
তবু আমি
স্বপ্ন দেখি
মাস শেষে যে আসছে খুশি

আশায় আছি, মাসের শেষে
মজুরীটা দিবে এসে
মনিব এলো এবং গেল
আমার পাওনা , পাওনাই রইলো

আজকে সবার ভীষন মজা
কাজ নাই তাই সবাই
রাজা
হেসে তারা জানতে চায়
কত পেলে
তুমি ভাই?

দেয় না জবাব, চুপটি
থাকি
আমারটা যে আজো বাকি
===============================
শূন্যতা
————
বেচে থাকাটাই এক অভিশাপ

শুনেছিস কি
ওহে আমার জীবন,
সকাল সাঝে তোর কাছে
চাইছি যে তাই মরন।

আয়নায় তোকে দেখে
আতকে উঠি
পাইনা কোন হিসাব,
আয়না টা
তুই সরিয়ে দে

জীবনটা যে এক অভিশাপ। 
তোকে খুজতে গিয়ে আমি
নিজেই গেলাম
হারিয়ে,
সব হারিয়ে, শূন্য আমি
একা
থাকি দাড়িয়ে।

তানা হলে যত ছিল আশা

ছিল যত বিশ্বাস,
দে ফিরিয়ে প্রানটা
ভরে
নিতে চাই সজীব নিশ্বাস।

তাই
যদি তুই না পারিস
তবে একটা কথা শোন,
আর দেরি নয় ওহে জীবন
করে দে তুই আমায়
খুন।

================
বর্ণচোরা
———
এমনতো না যে আমার কোন দুঃখ
নাই
হ্যা ,এটা সত্য যে আমার চেহরা্য় তার কোন আভা নাই
তুমিও তো দেখি, এখন আমাকে করো অনুসরন
আমার না হয় ছিল অনেক সীমাবদ্ধতা
ছিল
কিছু দায়বদ্ধতা,তোমার তা ছিল অজানা

এমনতো না যে আমার কোন
দুঃখ নাই।

এখন দুঃখ আর খুশির কোন
পাথ্যর্ক বুঝি না
সব একই রকম অনুভূত হয়
শুনেছি তোমার বেলায় এমনটি নয়
হৃদয়ের
কাদা মাটি শুকিয়ে হয়েছে শক্ত
যদিও দেহটার উপরি ভাগ দেখে তা
যায় না বুঝা
এমনতো না যে আমার কোন দুঃখ নেই।

বেচে আছি , আছি বেশ, ভিতরটা যে মৃত
সবার চোখে, এই রুপটা আছে লুকায়িত
এমনকি
তা তোমার কাছে পড়ে না তো ধরা
তুমিতো প্রানাবন্ত, আছে
প্রানের উচ্ছাস
আমার এই জীবনটা আজ মৃতের চেয়ে নয় কম
এমনতো নয় যে আমার কোন দুঃখ নেই।

আকাশ ছুতে চাই

আকাশ ছুতে চাই আমি , আকাশ ধরতে চাই
সকাল-সাঝে অবিরত কত চেষ্টা তাই
আকাশ চড়ে দেখবো আমি দুনিয়াটা কেমন
আমি বিশাল, ক্ষুদ্র সবি কেন লাগে এমন
কত বড় আমি এখন, মনে অহংকার
আমার হয়ে মেঘরা সব দেয় হুঙ্কার
ইচ্ছে হলে তোমাদের কে দিতে পারি খরা
আমার কাছে তোমরা সবাই দিতে হবে ধরা
আকাশ চড়ে অহংকারী, করবো তোদের শাসন
রক্ত চুষে খাবো তোদের করবো আমি শোষণ
আমার হাতে স্বপ্ন বন্দী, করবি হাহাকার
ইচ্ছে মতো করবো তোদের স্বপ্ন চুরমার
মুচকি হেসে বলে কাতার, আকাশটা যার হাতে
তুলে নিলে আকাশটারে, থাকবি না ধরাতে

%d bloggers like this: