ফটোশপে Glitter Text Animation

Glitter টেক্স এ্যানিমেশন তৈরির জন্য অন্য লাইনে কিছু সাইট রয়েছে, সেখান থেকে আপনি সহজেই নিজের জন্য Gilitter টেক্স এ্যানিমেশন বানিয়ে নিতে পারেন।

কিন্তু আজ আমরা দেখবো কিভাবে ফটোশপ হতে এই কাজটা করা যায়।

১। ফটোশপ চালু করুন এবং File মেনু হতে newতে ক্লিক করুন।


এবার Width 600 এবং height 150 pixels করুন, color mode RGB Color নির্ধারন করুন, আর ট্রান্সপারেন্ট এনিমেশন তৈরি করতে চাইলে background Contents হতে transparent নির্ধারন করুন, আর না চাইলে Background Color টাই রেখে OK বাটনে ক্লিক করুন।

২। এবার Tools হতে টেক্স টুলস ক্লিক করুন এবং আপনার ওয়ার্ক এরিয়াতে মাউস পয়েন্টার রেখে পুনঃরায় ক্লিক করুন। এবার লিখুন MICROQATAR।


এবার মুভ টুলস এ ক্লিক করুন এবং আপনার টাইপ করা টেক্সটির উপর মাউস ড্রাগ করে টেক্সটিকে ওয়ার্ক এরিয়ার মাঝামাঝি আসুন।


৩। লেযার হতে টেক্স লেয়ার টির নামের উপর একটা ক্লিক করুন।


লেয়ার window না থাকলে window মেনু হতে Layer বা কী বোর্ড এর F7 কী চাপুন।

এই অবস্থায় কী বোর্ড হতে Ctrl+T কী দ্বয় একত্রে চাপুন। এখন কী বোর্ড এর Shift কী চেপে ধরে মাউসের সাহায্যে টেক্সটি কে পুরো ওয়ার্ক এরিয়া পর্যন্ত সম্প্রসারিত করুন।


কাজ শেষে এন্টার চাপুন।

৪। লেয়ার window এর microqatar লেয়ার এর উপর ডান বাটনে ক্লিক করে এবং duplicate Layer এ ক্লিক করুন। দেখুন microqatar copy নামে আরেকটা লেয়ার এসেছে। এবার microqatar copy লেয়ার এ ডান বাটনে ক্লিক করে এবং duplicate layer ক্লিক করুন। দেখুন microqatar copy 2 নামে আরো একটা লেয়ার তৈরি হয়েছে।


৫। microqatar লেয়ার সিলেক্ট করুন এবং Filter মেনু তে ক্লিক করে Noise এর add noise এ ক্লিক করুন। লেয়ারটি রাস্টারাইজ করার জন্য OK বাটনে ক্লিক করুন।


Amount 45 , Uniform এবং Monochromatic সিলেক্ট করে ok বাটনে ক্লিক করুন।

একই নিয়মে microqatar copy লেয়ারটি কে সিলেক্ট করে amount 60 এবং Microqatar copy 2 লেয়ারটি Noise amount 75 নির্ধারন করুন।

৬। এবার microqatar লেয়ারটি সিলেক্ট করুন এবং layer মেনু হতে Layer style এর blending Options এ ক্লিক করুন।


এবার drop shadow , Bevel and Emboss এবং Stroke এর চেক বক্স এ ক্লিক করে এগুলো এনাবল করে দিন এবং কোন পরিবর্তন করতে চাইলে তা করে OK বাটনে ক্লিক করুন।

৭। microqatar লেয়ারটি উপর ডান বাটনে ক্লিক করে Copy Layer Style এ ক্লিক করুন। এখন microqatar copy লেয়ারটির উপর ডান বাটনে ক্লিক করে Paste Layer Style এ ক্লিক করুন, পুনঃরায় microqatar copy 2 লেয়ারটির উপর ডান বাটনে ক্লিক করে Paste Layer Style এ ক্লিক করুন।

 

 

 

৮। টুলস বক্স এর Edit in Image ready বাটনে ক্লিক করুন। ইমেজ রেডি চালু হবে।


ইমেজ রেডির animation window প্রর্দশিত করে নিন ( না করা থাকলে window মেনু হতে animation এ ক্লিক করুন )।


এবার animation window এর বামে অবস্থিত বাটনে ক্লিক করে new Frame এ ক্লিক করুন এবং কাজটি পুনঃবায় আরেকবার করুন। এতে করে নতুন দুটি ফ্রেম animation window তে যুক্ত হয়ে মোট ৩টি frame প্রর্দশিত হবে।

৯। animation window এর ১ নং ফ্রেমটি তে ক্লিক করে layer window এর microqatar copy এবং microqatar copy 2 এর বাম পাশে চোখ চিহ্নিত( ভিজিবল) বাটনে ক্লিক করে চোখ চিহ্ন তুলে দিন।

part9

এবার Animation window এর ২ ন১ ফ্রেমটি সিলেক্ট করে Layer window হতে microqatar এবং microqatar copy 2 লেয়ার এর চোখদুটি তুলে দিন।

আবার animation window এর ৩ নং ফ্রেমটি সিলেক্ট করে Layer Window হতে microqatar এবং microqatar copy লেয়ার এর চোখ দুটি উঠিয়ে দিন।

ব্যাপারটা হল এই রকম এক নম্বর ফ্রেম এর জন্য microqatar layer visibility অন থাকবে অন্যদুটির অফ, একই ভাবে ২ এর জন্য microqatar copy এবং ৩ এর জন্য microqatar copy 2 layer টি অন থাকবে এবং উক্ত ফ্রেমের তখন অন্যগুলি লেয়ার অফ থাকবে। এটাই হল ইমেজরেডি দিয়ে এ্যানিমেশন তৈরির মূল নীতি।

এবার animation window এর Play বাটনে ক্লিক করে দেখুন । দেখা শেষে Stop বাটনে ক্লিক করুন।

১০। ফাইনাল আউটপুট পাওয়ার জন্য File মেনু হতে save Optimized ক্লিক করুন। যে কোন একটি নাম টাইপ করে Save বাটনে ক্লিক করুন।


কাজ শেষে ইমেজ রেডি এবং ফটোশপ বন্ধ করুন এবং আপনার তৈরি করা Glitter Animation এর Gif ফাইলটি অপেন করে দেখুন।

animation

অনলাইনের রেডিও পিসিতে রেকডিং করুন ।


 

 

 

 

 

 

এর আগে আমি জানিয়ে ছিলাম কিভাবে অন লাইন হতে রেডিও শুনা যায়। আজ দেখবো এই অনলাইন রেডিও হতে কিভাবে তা আপনি আপনার পিসিতে রেকডিং করবেন।

কোথায় পাবো?

বিছমিল্লাহ করে Screamer-radio ডাউনলোড করে নিন এবং সেটআপ করে নিন।

কিভাবে রেকডিং করবো?

Screamer-radio চালু করুন এবং file মেনু হতে open Url এ ক্লিক করুন। এবার Url text Box আপনি যে সাইটের রেডিও শুনতে চান তার ইউ. আর এল এড্রেস টাইপ করে Ok বাটনে ক্লিক করুন। নিচের ইউ আর এল টা ব্যবহার করে দেখুন, রেডিও গুনগুন এর বাংলা অনুষ্ঠান শুনতে পারবেন।

http://208.53.138.65:7076

এবার রেকডিং করার জন্য Rec বাটনে ক্লিক করুন এবং স্টপ করার জন্য পুনঃরায় Rec বাটন ক্লিক করুন। রেকডিং করা ফাইল দেখার জন্য Recording মেনু হতে open recording folder ক্লিক করুন, রেডিও সেশ্টন অনুযায়ী ফোল্ডারের ভিতরে ফাইলগুলি পাবেন।

রেডিও এড করার জন্য এর ইউ আর এল জানাটা হলো সবচেয়ে জরুরী বিষয় এখন স্বাভাবিকভাবে প্রশ্ন আসবে, আমি রেডিও জন্য ইউ আর এল কোথায় পাবো?এটা জানার বেশ কিছু পদ্ধতি আছে

এটা জানার তিনটা পদ্ধতি আমার জানা আছে, তা শেয়ার করলাম।

সোর্স কোড হতে

ভিলসি প্লেয়ার

সেইভ করা প্লে লিস্ট ফাইল হতে

 

সোর্সকোড হতে দেখার জন্য : কোন রেডিও সাইট অপেন করুন। যেমন:http://www.radiogoongoon.com/


 

পেইজ এর সোর্স দেখার জন্য view মেনু হতে source ক্লিক করুন। এবার স্ক্রল করে দেখুন filename এর ভ্যালুটাই হলো আমাদের রেডিও ইউ আর এল। http://208.53.138.65:7076

 

ভি.এল.সি প্লেয়ার হতে: ভিলসি প্লেয়ার চালু করুন। view হতে playlist এ ক্লিক করুন, এবার manage মেনু হতে services discovery এর shoutcast radio listings এ ক্লিক করুন। shoutcast এ ডাবল ক্লিক করুন ।


লিস্ট পাবনে এবং উক্ত লিস্ট হতে 24hs এর + সাইনে ক্লিক করে লিস্ট এক্সপান্ড করুন। এবার angelsFox-Radio তে ক্লিক করুন ( আপনার ইচ্ছা হলে অন্য কোনটা ব্যবহার করতে পারেন)।

রেডিও শুনতে পাবেন।

angelsFox-Radio নামটির উপর মাউসের রাইটবাটনে ক্লিক কের info তে ক্লিক করুন। URI যে এড্রেস টা দেখা যাচ্ছে সেটাই হল রেডিও এর জন্য ইউ. আর এল।

সেইভ করা প্লে লিস্ট হতে: কিছু কিছু সাইটে আপনি রেডিও শুনদে চাইলে আপনাকে প্রথমে তাদের একটি asx ফাইল সেইভ করতে হয়, কারো কারো ক্ষেত্রে আবার সেইভ অপশন না এসে সরাসরি মিডিয়া প্লেয়ারে চালু হয়ে যেতে পারে, তবে এটা নির্ভর করবে আপনার কম্পিটারের সেটি্ং এর উপর। এই সাইটটা দেখুন। http://www.phayul.com/onlineradio/ । রেডিও শুনতে উক্ত সাইটের মিডিয়া প্লেয়ার এর আইকনে ক্লিক করুন। সরাসরি মিডিয়া প্লেয়ারে চালু হয়ে গেলে, file মেনু হতে Properties এ ক্লিক করুন।


এখানে লোকশনে যে এড্রেস টা দেখাচ্ছে, সেটাই হল রেডিওর জন্য ইউ, আর এল।

আর যদি সরাসরি চালু না হয়ে asx ফাইল হিসাবে সেইভ হয়, তাহলে উক্ত ফাইলটি notepad দিয়ে অপেন করুন।

এখানে mms:\\70.86.171.134\radiophayul টাই হল রেডিওর ইউ. আর এল।


 

ভিস্তা এবং এক্স.পি অরজিনাল করে নিন।

কৈফিয়ত:

[ কাজটা আইনত অবৈধ, তারপর লিখলাম, তাদের জন্য যারা একটা কম্পিউটার ক্রয় করতে গিয়ে হিমসিম খায়, তারা হয়তো বৈধভাবে ও এস কিনে ব্যবহার করতে পারে না। ]

এক্স .পি

১। এই লিংক হতে ডাউনলোড করে নিন।

২। আন জিপ করে রেজ ফাইলটিতে ডাবল ক্লিক করুন।

৩। yes বাটনে ক্লিক করুন এবং পুনরায় OK বাটনে ক্লিক করে নিন।

এখন আপনার এক্স পি অরজিনাল হয়ে গেল, এবার আপনি আপটেড এবং সেই সাথে মাইক্রোসফট এর সাইট হতে এক্স. পি এর জন্য সফটওয়্যারও ডাউনলোড করেত পারবেন।মাইক্রোসফট এর সাইট হতে ডাউনলোড করার সময় ভ্যালিডেশন চেক করতে চাইলে , ভ্যালিডেশন করে নিন। কোন সমস্যা হবে না।

ভিস্তা:

ভিস্তা সেটআপ করার পর তিন দিনের মধ্যে তার জন্য অনলাইনে একটিভেশন করে নিতে হয় তা হলে একমাসের মধ্যে তার কার্যকারীতা শেষ হয়ে যায়, তারমানে আপনি একমাস পর আর তা ব্যবহার করতে পারবেন। এক্ষেত্রে আপনাকে আবার ভিস্তা নতুন করে সেটাআপ করতে হবে। বিশেষ একটা কমান্ড আছে তা দিয়ে হয়তো টেনেটুনে ৪ মাস পর্যন্ত চলবে। তাহলে স্থায়ী সমাধান কি?

১। এই লিংক হতে ডাউনলোড করুন ভিস্তা একটিভেটর।

২। এবার আপজিপ করুন এবং windows vista 2007.exe ফাইটির উপর রাইন ক্লিক করে run as administrator এ ক্লিক করুন।

৩। আপনার ইউজার একাউন্ট নেইম এবং কম্পিউটার নেইম টাইপ করুন, যা আপনি ভিস্তা সেটআপ করার সময় দিয়েছিলেন। নেক্সট বাটনে ক্লিক করুন।

৪। এবার ভিস্তা সেটআপ করার সময় যে সিডি কী বা সিরিয়াল কী দিয়েছিলেন, তা টাইপ করুন।

৫। এবার ok বাটনে ক্লিক করুন এবং ২ থেকে ৩ মিনিট অপেক্ষা করুন। কম্পিউটার স্বয়ংক্রিয়ভাবে রির্স্টাট হবে।

*** আপনি যদি সিরিয়াল কী ছাড়া ভিস্তা সেটআপ করে থাকেন, তাহলে একটিভেটার এর সিরিয়াল কী টেক্স বক্স খালি রাখুন।

*** এটা শুধু মাত্র x86 ভার্সণ কাজ করে।

 

নিচের ভাশর্ন গুলির জন্য প্রযোজ্য

1. Microsoft Windows Vista Ultimate Edition

2. Microsoft Windows Vista Business Edition

3. Microsoft Windows Vista Starter Edition

4. Microsoft Windows Vista Enterprises Edition

5. Microsoft Windows Vista Home Basic Edition

6. Microsoft Windows Vista Home Premium Edition

স্বয়ংক্রিয়ভাবে windows এ লগইন করা (ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ড বাদ দিয়ে)।

আপনি চাচ্ছেন আপনার উইনডোস চালু হওয়ার সময় যেন আর বিরক্তীকর লগইন বক্স টা না আসুক। আসুন এটা কিভাবে করে তা জেনে নিই।

রান মেনু চালু করুন বা windows key + R চাপুন। এবার টাইপ করুন control userpasswords2 এবং এন্টার চাপুন, এতে করে User Accounts window টি পাওয়া যাবে। ( ভিস্তায় )

 
 


এবার Users must enter a user name and password to use this computer
চেক বক্স টি কে আনচেক করে apply বাটনে ক্লিক করুন, এখন আপনার কাছ হতে ইউজার নেইম এবং পাসওয়ার্ড চাইবে অটোলগইন হওয়ার জন্য, আপনি আপনার ইউজার নেইস এবং পাসওয়ার্ড দিন।

৪। এবার ok ক্লিক করে কম্পিউটার রিস্টাস করে দেখুন। কোন প্রকার লগইন এর ঝামেলা করা ছাড়াই আপনার ভিস্তা চালু হবে।
==================================================

টিকা: পুনরায় লগইন ডায়ালগ বক্স ফিরিয়ে আনতে চাইলে( পাসওয়ার্ড ব্যবহার করার জন্য) Users must enter a user name and password to use this computer
চেক বক্স টি কে চেকমাকর্স করে OK বাটনে ক্লিক করুন।

প্রসেসরের এবং হার্ডডিস্ক তাপমাত্রা

কম্পিউটার চলাকালীন ( উইনডোস-এ ) সময়ে আপনার প্রসেসর এর তাপমাত্রা এবং ফ্যান এর
স্পীড জানার জন্য ব্যবহার করে দেখুন সেনসর ভিউ প্রো।


ফ্রী ডাউনলোড করার জন্য
এখানে ক্লিক করুন

winamp এর জন্য নিজস্ব স্কীন তৈরি করুন।

winamp এর মন মাতানো স্কীন  তেরি করার অনেক
থার্ডপাটি সফটওয়্যার পাওয়া যায়। যা দিয়ে আপনি আপনার winamp এর চেহরা সুরতকে বদলে
দিতে পারেন। কিন্তু আমি আজ আপনাদের যেটি জানাতে যাচ্ছি সেটি হল কিভাবে এইসব
থার্ডপাটি( স্কীন মেকার) সফট ব্যবহার না করে শুধু মাত্র পেইন্ট বা ফটোশপ  দিয়ে এর
বেইস স্কীন তৈরি করা।

১। প্রথমে ফটোশপ অপেন করুন।

২। file হতে new তে ক্লিক করুন এবং width 276 and height 118 pixels নির্ধারন করে বাকি সব সেটিং চিত্রের মত রেখে ok বাটনে ক্লিক
করুন।

৩। এবার আপনি ফটোশপ এর ওয়ার্ক এরিয়াতে ইচ্ছামত
ড্রংয়িং করুন বা কোন ইমেজ অপেন করে সেটিকে আপনার ওয়ার্কএরিয়াতে যুক্ত করুন।

৪। file মেনুতে হতে save as ক্লিক করুন  এবং file name text box  main টাইপ করুন ফাইলের নাম হিসাবে, format এর হতে BMP নির্ধারন
করে save এ ক্লিক করুন। এবার BMP options  হতে file format এর windows এবং depth হতে 16  বা 24 bit নির্ধারন করে ok তে ক্লিক করুন। ফটোশপ বন্ধ করুন।

৫। এবার আপনার তৈরিকৃত main ( BMP ) format এর
ফাইলটি কপি করে   C:\Program Files\Winamp\Skins ফোল্ডটার টি অপেন করে নতুন একটা
ফোল্ডার নিজের নামে তৈরু করুন। এবার নতুন তৈরি করা ফোল্ডারের ভিতর আপনার main ফাইলটি পেস্ট করুন।

 

৬। এখন winamp  চালু করে মেনুতে ক্লিক করুন। উক্ত
মেনু হতে skin হতে আপনার নতুন তৈরি করা স্কীন টিতে ক্লিক করুন।

winamp ডাউনলোড করার জন্য নিচের লিংক এ কি্লক
করুন।

http://download.oldapps.com/Winamp/winamp55_full_en-us.exe

একটা ছড়াগুচ্ছ

পাচঁটি তারা
—————
পাচঁটি
তারা ক্ষয় হয়ছে, জয় হয়ছে কার?
তোমরা ছিলে এই ভুবনের আলোকিত
বাহার
মান-অভিমান থাকতে পারে, থাকতে পারে দোষ
একটা কথা মনে রেখে, আমরাতো সব মানুষ।

একটি তারা আলো ছড়ায়, প্রতি কোনায়
কোনায়
সবার প্রিয় ছিল সে যে পূর্ন কানায় কানায়
সবার আগে দিতো জবাব, ছড়াতো সে আলো
হঠৎ
করে নিভেয় দিল, মনটা করে কালো।

অন্যতারা, যায় না ভোলা, দিতো আলোর খোচা
সেই তারার হাতে থেকে ভাই ছিল না করো বাচা
কারো কোন কথায় যদি পেত একটু দোষ
সাথে
ধরিয়ে দিতো যেন হয় তার হুশ।

আশার
তারা ছড়াতো সে রঙ্গীন আশার আলো
বলতো সে যে এসো সবাই আলোর
পথে চলো
কিন্তু হঠাৎ এই তারাটা মিলিয়ে গেল, দূরাকাশে
আমরা তারে এখনো যে খুজে বেড়ায় এই্ আকাশে।

দূর আকাশে উজ্জল তারা, আমরা তাকে বলি
নক্ষত্র
পদ্য আলো ছড়িয়ে দিতো , ছিল তার এক বিশেষ ক্ষেত্র
সেই তারাটার হঠাৎ করে কলো অভিমান
আসবে
ফিরে ,দিবে আলো, ভাঙ্গবে তাহার মান

এই তারাটা ভবের ফকির, থাকতো অনেক দূরে
কি কারনে গেল সে যে আমাদেরকে ছেড়ে
নিজের যত সৃষ্টি ছিল, করলো তাহার বিনাশ
তারা, তুমি হওনি কেন বিশাল হৃদয়ের আকাশ?

আজ আকাশে তারার মেলা, তারায় তারায়
ভরা
এতো তারার মাঝে তবু মনটা আমার তোমাদের জন্য খরা
[ ঈদের দিন নাকি কোন মান অভিমান রাখতে নাই, তাই এটা লিখলাম]

[ প্রজন্ম ফোরামের সেই অভিমানী সদস্যের উদ্দেশ্য এইটা লিখা]
=================================================
কর্মী
——–
মনিব তুমি , আমি ভৃত্য
তোমার কথায় করি
নৃত্য
সকাল থেকে রাতে বেলা
কাজে
নাইকো অবহেলা

কস্ট, দুঃখে হৃদয়
ভরা
হাসি-খুশির আছে খরা
তবু আমি
স্বপ্ন দেখি
মাস শেষে যে আসছে খুশি

আশায় আছি, মাসের শেষে
মজুরীটা দিবে এসে
মনিব এলো এবং গেল
আমার পাওনা , পাওনাই রইলো

আজকে সবার ভীষন মজা
কাজ নাই তাই সবাই
রাজা
হেসে তারা জানতে চায়
কত পেলে
তুমি ভাই?

দেয় না জবাব, চুপটি
থাকি
আমারটা যে আজো বাকি
===============================
শূন্যতা
————
বেচে থাকাটাই এক অভিশাপ

শুনেছিস কি
ওহে আমার জীবন,
সকাল সাঝে তোর কাছে
চাইছি যে তাই মরন।

আয়নায় তোকে দেখে
আতকে উঠি
পাইনা কোন হিসাব,
আয়না টা
তুই সরিয়ে দে

জীবনটা যে এক অভিশাপ। 
তোকে খুজতে গিয়ে আমি
নিজেই গেলাম
হারিয়ে,
সব হারিয়ে, শূন্য আমি
একা
থাকি দাড়িয়ে।

তানা হলে যত ছিল আশা

ছিল যত বিশ্বাস,
দে ফিরিয়ে প্রানটা
ভরে
নিতে চাই সজীব নিশ্বাস।

তাই
যদি তুই না পারিস
তবে একটা কথা শোন,
আর দেরি নয় ওহে জীবন
করে দে তুই আমায়
খুন।

================
বর্ণচোরা
———
এমনতো না যে আমার কোন দুঃখ
নাই
হ্যা ,এটা সত্য যে আমার চেহরা্য় তার কোন আভা নাই
তুমিও তো দেখি, এখন আমাকে করো অনুসরন
আমার না হয় ছিল অনেক সীমাবদ্ধতা
ছিল
কিছু দায়বদ্ধতা,তোমার তা ছিল অজানা

এমনতো না যে আমার কোন
দুঃখ নাই।

এখন দুঃখ আর খুশির কোন
পাথ্যর্ক বুঝি না
সব একই রকম অনুভূত হয়
শুনেছি তোমার বেলায় এমনটি নয়
হৃদয়ের
কাদা মাটি শুকিয়ে হয়েছে শক্ত
যদিও দেহটার উপরি ভাগ দেখে তা
যায় না বুঝা
এমনতো না যে আমার কোন দুঃখ নেই।

বেচে আছি , আছি বেশ, ভিতরটা যে মৃত
সবার চোখে, এই রুপটা আছে লুকায়িত
এমনকি
তা তোমার কাছে পড়ে না তো ধরা
তুমিতো প্রানাবন্ত, আছে
প্রানের উচ্ছাস
আমার এই জীবনটা আজ মৃতের চেয়ে নয় কম
এমনতো নয় যে আমার কোন দুঃখ নেই।

জেনে নিন আপনার মোবাইল এর কোয়ালিটি ( নকিয়া )

বাজারে নকিয়ার সেটই সবচেয়ে জনপ্রিয়, আর এই জনপ্রিয়তাকে পুজি করে এক শ্রেনীর অসাধু আমদানীকারক নিম্নমানের নকিয়া সেট এনে আপনাকে প্রতারিত করছে। আসুন দেখি কিভাবে আপনার সেট এর কোয়ালিটি ভাল মন্দ যাচাই করবেন।

*#06# চাপুন। এতে করে আপনার মোবাইল এর ১৫ ডিজিট এর আই এম ই নম্বার পাবেন।

নোট: আই. এম. ই = ইন্টারন্যাশনাশ মোবাইল ইকুইপমেন্ট।

এখন উক্ত সিরিয়াল নম্বার হতে সাত ( ৭ ) এবং আট ( ৮) নং ডিজিট এর মান হতে আপনার সেট এর মান/ কোয়ালিটি জানতে পারবেন।


IME NO

1

2

3

4

5

6

7

8

9

10

11

12

13

14

15

X

X

X

X

X

X

?

?

X

X

X

X

X

X

X

 

সাত এবং আট নং ডিজিট যদি 02 বা 20 হয় , এটা এর এসেম্বলিং আমিরাত ( যাকে আমরা ডুবাই বলে ডাকি) এবং এর কোয়ালিটি খুবই খারাপ। [ অধিকাংশ সেটই ডুবাই/ আমিরাতের এসেম্বলিং করা, যা আমার চায়না হিসাবে জানি]

সাত এবং আট নং ডিজিট যদি 08 বা 80 হয় ,মানে হল এর ম্যানুফেকচারিং দেশ র্জামানী এবং এর কোয়ালিটি মোটামুটি মানের।

সাত এবং আট নং ডিজিট যদি 01 বা 10 হয় ,মানে হল এর ম্যানুফেকচারিং দেশ ফিন্সল্যান্ড এবং এটি খুবই ভাল কোয়ালিটির।

সাত এবং আট নং ডিজিট যদি 00 হয় ,মানে হল এটা অরজিনাল ফ্যাক্টরী হতে উতপাদিত (বানান ঠিক নাই) আর এটাই হলো সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য ভাল কোয়ালিটির সেট।

সাত এবং আট নং ডিজিট যদি 13 হয় , মানে হল এর ম্যানুফেকচারিং দেশ আজারবাইযান এবং এর কোয়ালিটি খুবই খবুই নাজুক এবং এটা ব্যবহারে স্বাস্থগত সমস্যার সৃষ্ট হতে পারে।

 

 

 

    

বাংলায় চ্যাট করুন।

ইউনিকোড ভিত্তিক চ্যাট সার্ভিস। তাই চাইলে ইংরেজীর এর পাশাপাশি বাংলায় চ্যাট করতে পারবেন।

এই লিংক http://forum.projanmo.com/chat/

বাজার দর


প্রসেসর:

ইন্টেল সেলেরন ২ গি.হা ৩৬০০ টাকা।

সেলেরন ১.৮ডি গি.হা. ২৯০০ টাকা।

ইন্টেল পেন্টিয়াম কোর টু কোয়াড কিউ ৬৬০০ ২.৪ গি.হা. ১৬৫০০ টাকা।

ইন্টেল কোর টু ডুয়ো ৩গি.হা ৪৫ এনএম ই৮৪০০ (১৩৩৩ বাস ৬ মেবা ক্যাশ) ১৪৫০০ টাকা।

ইন্টেল কোর টু এক্সট্রিম ৩ গি.হা. কিউএক্স ৬৮৫০ (৮ মে.বা., ক্যাশ ১৩৩৩৩ বাস) ৭৯০০০ টাকা।

ইন্টেল কোর ডু ডুয়ো ২.৬৬ গি.হা. ৪৫ এনএম ১৩৫০০ টাকা।

কোর টু ডুয়ো ই ৪৬০০-২.৪ গি.হা. ৯৫০০ টাকা।

পেন্টিয়াম ডুয়েল কোর ২ গি.হা. ৫৩০০ টাকা।

পেন্টিয়াম ডুয়েল কোর ২.২ গি.হা. ৬৩০০ টাকা।

মাদারবোর্ড:

ইন্টেল ৩৩ টিএলএম ৯৫০০ টাকা।

ইন্টেল ডিজি ৩৩ এফবিসি ৮০০০ টাকা,

ইন্টোল ডিজি ৩১ টিআর ৫২০০টাকা,

ডিজি ৩৩ এইডসি ৭৮০০ টাকা,

আসুস জি৩১ ৫০০০ টাকা,

গিগাবাইট ৯৪৫ জি ৪০০০ টাকা।

র‌্যাম:

৫১২ মে.বা. (৮০০ বাস) ১০০০ টাকা

১ গি.বা. ডিডিআর (৬৬৭ বাস) ১৫০০ টাকা,

১ গি.হা. (৮০০ বাস) ১৭০০ টাকা

২ গি.বা. (৮০০ বাস) ৩২০০ টাকা।

হার্ডডিস্ক ড্রাইভ:

৮০ গি.বা. (৭২০০ আরপিএম) ২৯০০;

২০০ গি.বা. (সাটা) ৩৬০০ টাকা,

সাটা ২৫০ গি.বা. ৩৮০০।

১৬০ গি.বা. ৩২০০ টাকা।

১০০০গি.বা. ১৭৫০০,

১০২৪ গি.বা. ২৪০০০ টাকা।

ফ্লপি ডিস্ক ড্রাইভ:

৩.৫ ইঞ্চি ১.৪৪ মে.বা. ৪০০ টাকা।

পেনড্রাইভ:

৪ গি.বা. ১৪৫০ টাকা,

১ গি.বা. ৫৫০ টাকা,

২ গি.বা. ৮০০ টাকা।

মনিটর:

স্যামসাং ১৫” ৫৭০০;

১৭” (৭৯৩ ডিএফ) ৭৬০০ টাকা;

ফিলিপস ১৭” ৭২০০ টাকা;

এলজি ১৭” র্ফ্লাট ৭৫০০ টাকা;

ফিলিপস ১৯” এলসিডি ১৮৫০০ টাকা,

১৭” এলসিডি ১৪৭০০ টাকা,

১৫” এলসিডি ১২০০০ টাকা;

স্যামসাং ১৭” (৭৩২ এন প্লাস) এলসিডি ১৫০০০ টাকা;

এলজি ১৭” এলসিডি ১৪৯০০ টাকা।

গ্রাফিক্স কার্ড:

পিসিআই এক্সপ্রেস ২৫৬ মে.বা. ৩৮০০ টাকা।

ফ্যাক্স/মডেম:

প্রোলিংক ৫৬ কেবিপিএস;

ইন্টারনাল ৫০০ টাকা।

সিডি-রম ড্রাইভ:

আসুস ৫২এক্স ১০০০ টাকা;

ফিলিপস ৫২এক্স ১০০০ টাকা

লাইট-অন ৫২এক্স ১০০০ টাকা।

সিডি-রাইটার:

ফিলিপস ৫২x৩২x৫২এক্স ১৬০০ টাকা,

লাইট-অন ৫২x৩২x৫২এক্স ১৬০০ টাকা ।

ডিভিডি-রম ড্রাইভ:

আসুস ১৬এক্স ১৫০০ টাকা;

ফিলিপস ১৬এক্স ১৫০০ টাকা;

লাইট-অন ১৬এক্স ১৪৫০ টাকা

বেনকিউ ১৬এক্স ১৪৫০ টাকা।

কমবো ড্রাইভ:

বেনকিউ ১৯০০ টাকা।

কেসিং:

১৭০০ থেকে ২২০০ টাকা।

মাউস:

১০০ থেকে ৯০০ টাকা।

কিবোর্ড:

মিৎসুমি সাধারণ ৩৫০ টাকা।

ঈগলটাচ মাল্টিমিডিয়া ৬০০ টাকা।

এফোরটেক সাধারণ ৪০০ টাকা,

মাল্টিমিডিয়া ৬০০ টাকা।

স্পিকার:

ক্রিয়েটিভ ইনস্পায়ার (৫:১) ৭৫০০ টাকা,

(৭:১) ৯৫০০;

(৪:১) ৫১০০ টাকা,

(২:১) ৪০০০ টাকা।

মাইক্রোল্যাব (২:১) ১২০০ থেকে ২২০০ টাকা,

(৫:১) ৪৫০০ টাকা,

ক্রিয়েটিভ এসবিএস (৩৭০) ১৮০০ টাকা।

টিভি কার্ড:

এভারমিডিয়া এক্সটারনাল ৪১০০ টাকা

ইন্টারনাল ২৮০০ টাকা,

রিয়ালভিউ এক্সটারনাল ১৫০০ টাকা

গেড মি ১৫০০ টাকা।

প্রিন্টার:

ক্যানন বিজেসি আইপি১৩০০ ২৫০০ টাকা,

ক্যানন বিজেসি আইপি১৮৮০ ৩৪০০ টাকা।

এইচপি১৪৬০ ডেস্কজেট ২৯০০ টাকা,

লেক্সমার্ক জেট৬৪৫ ৩০০০ টাকা।

এপসন সি৫৯ ৩৪০০ টাকা।

ক্যানন ১২১০ লেজার ১০৫০০ টাকা;

এইচপি ১০২০ লেজারজেট ৯৫০০ টাকা;

এইচপি ২০১৫ লেজারজেট ২৩৫০০ টাকা;

লেক্সমার্ক ই১২০এন লেজারজেট ৮৫০০ টাকা।

তথ্যসূত্র: প্রথম আলো

কৃতজ্ঞতা: মুর্শেদের ইউনিকোড লেখনী ও পরিবর্তক